জেনে নিন ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় এবং করণীয় কাজগুলো।

ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় জানা না থাকলে আপনি কখনই ইন্সট্রাগ্রাম থেকে ভালো ফলাফল পাবেন না।  আপনি অনেক প্ল্যানিং এবং কয়েক ঘন্টা সময় ব্যয় করে একটি ইন্সট্রাগ্রাম পোস্ট তৈরি করলেন। তারপর পোস্ট টি শেয়ার করলেন। সব কিছুই ঠিকঠাক। 

কিন্তু এরপর দেখলেন রিচ নেই। অল্প কয়েকটা লাইক এবং কমেন্টস কয়েকজন ফলোয়ার থেকে পেলেন। ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার এর অভাবে আপনার এত কষ্টের ফল শুন্য। আপনার পোস্ট টি যে পরিমান মুল্যবান সেই পরিমান লাইক, কমেন্টস কিন্তু পেলেন না। যা খুবই হতাশাজনক।  কিন্তু কিভাবে ইন্সট্রাগ্রাম এ বেশি বেশি ফলোয়ার পাবেন? যার ফলে পোস্ট বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে! তাই আজকে আমরা কথা বলব ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় নিয়ে।

এইখানে আমরা কথা বলব কিছু প্রয়োজনীয় কাজ যেগুলো নিয়মিত করার ফলে আপনার ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়াতে অনেক বেশী চান্স থাকবে।

ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ানোর উপায়;

ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ানোর উপায়

১. Bio অপ্টিমাইজ করুন।

১৫০ ওয়ার্ড এর কাছাকাছি একটি বায়ো লিখুন যেখানে আপনার সম্পর্কিত জিনিগুলো তুলে ধরবেন। আপনি কে? কি নিয়ে কাজ করেন? আপনার বিজনেসটা কোন ধরনের? এইগুলা সব বায়ো তে এড দিবেন। যেন আপনার ফলোয়ার বা ভিজিটররা বায়ো দেখেই আপনার সম্পর্কে আইডিয়ে পেতে পারে।

ইন্সট্রাগ্রাম বায়ো তে যে যে জিনিস রাখবেনঃ

  • আপনি কি কি করেন এবং আপনার কাজ নিয়ে একটি পরিষ্কার বর্ণনা। 
  • আপনার ব্যাক্তিত্ব নিয়ে কিছু লিখুন।
  • Read More, Contact Us, Shop এই ধরনের একটি কল টু একশন এড করুন।
  • একটি লিংক ( শপ, ওয়েবসাইট ইত্যাদি) 

বায়ো লিংক হলো একটি ক্লিকেবল লিংক যেখান থেকে আপনার ফলোয়ার রা প্রায় ই লিংক এ ক্লিক করার চান্স বেশী। তাই এইখানে আপনি আপনার বিজনেস, শপ ইত্যদি এর লিংক দিতে পারেন। আপনি নিজের কাজ কে সহজ করতে বায়ো লিংক এর সুবিধা নিন। এইখানে আপনার বিজনেস বা শপ লিংক দিলে অনেক মানুষ লিংক ওপেন করবে যার ফলে আপনার ভিজিটর পাওয়ার চান্স বেরে যাবে আর এর ফলে ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার এর সংখ্যাও বাড়বে।

প্রয়োজনীয় প্রায় সব কিছুই বায়ো তে দিয়ে রাখুন।

পাশাপাশি একটি ব্র‍্যান্ডেড হ্যাশ ট্যাগ ব্যাবহার করুন। এবং আপনার পণ্য নিয়ে যদি কেও পোস্ট করে বা আপনার ফলোয়ার রা যদি পোস্ট করে তাহলে আপনাএ হ্যাশট্যাগ টি ব্যাবহার করতে বলুন। এর ফলে যারা যারা অই পোস্ট টি দেখবে তাদের কাছে আপনার আইডির পোস্ট বা আইডি টি পাওয়ার চান্স বেরে যাবে। অন্যদিকে কেও যদি সেই হ্যাশট্যাগ এ ক্লিক করে তাহলে অই হ্যাশট্যাগ ব্যাবহৃত সব পোস্ট সে পেয়ে যাবে।  

আরো পড়ুনঃ কি দেখে মোবাইল কিনবেন? 

২. ইন্সট্রাগ্রামে পোস্ট করার সঠিক সময় টি বের করুন।

আপনি যদি জিজ্ঞেস করেন যে ইন্সট্রাগ্রামে পোস্ট করার সঠিক সময় কোনটি? তাহলে এর উত্তর হলো কেউই বলতে পারবে না যে আসল সময় কোনটি বা কোন সময় পোস্ট করলে পোস্ট বেশী রিচ হবে। তবে আপনি একটা ট্রিক্স ইউজ করে আপনার জন্য সঠিক সময় টি খুজে বের করতে পারবেন।

প্রথমে আপনার Instagram Insight টি ব্যাবহার করতে হবে। আপনার বিজনেস প্রোফাইল থেকে Insight বাটনে ক্লিক করার পর একটু স্ক্রল করার পর “Your Audience” বাটনে ক্লিক করবেন। তারপর “See All” এ ক্লিক করুন। তারপর নিচে দেখতে পারবেন যে কখন আপনার অডিয়েন্স বা ফলোয়ার রা বেশী এক্টিভ থাকে। সেই সময়কে অনুসরণ করে পোস্ট করলে আপনার ফলোয়ার দের কাছে পোস্ট যাবে বেশী।

তাছাড়া সেই সময়টি ফলো করা ছাড়াও আরেকটা কাজ করতে পারেন তা হলোঃ আপনার পোস্ট এর ধরন বুঝে টাইম ঠিক করুন। যেমন কোন রেসিপি পোস্ট হলে সেটা দুপুরে পোস্ট করা বা সন্ধ্যায় পোস্ট করা যার ফলে সেই সময় আপনার পোস্ট টি দেখার চান্স বেশী। এইরকম বিভিন্ন সময় দেখে দেখে পোস্ট করবেন। কয়েকদিন এইরকম করার পর আপনার অটোমেটিক আন্দাজ হয়ে যাবে যে কোন সময় টি বেস্ট আপনার জন্য।


৩. পোস্ট এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন।

২০২১ সালের একটি স্টাডি অনুযায়ী সপ্তাহে ৪ টি পোস্ট করাতে বলা হয়েছে। কিন্তু আমাদের মতে আপনাকে ডেইলি একটা হলেও পোস্ট করা উচিত এর ফলে আপনার বিজনেস প্রোফাইল বা ব্র‍্যান্ড এর পোস্ট টি ট্রেন্ড এ যাওয়ার চান্স বেড়ে যাবে।

Tailwind Study এর মতে কম পোস্ট করা প্রোফাইল এর চেয়ে অনেক গুন বেশী তাড়াতাড়ি ফলোয়ার বাড়ে নিয়মিত পোস্ট করা প্রোফাইল গুলোতে। তাই প্রতিনিয়ত পোস্ট বজায় রাখুন।

ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম টাইমলাইন নিয়মিত পোস্ট করা প্রোফাইল কে ফলোয়ার দের কাছে বেশী পৌছায়। আপনি যদি নিয়মিত পোস্ট করেন এবং ভালো কোয়ালিটি বজায় রেখে পোস্ট করেন তাহলে ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম আপনার ফলোয়ারদের ফিডে সবার উপরে আপনার পোস্ট দেখাবে যা আপনার পোস্ট এর রিচ এবং ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়াতে অনেক বেশী হেল্প করবে।

আর অবশ্যই পোস্ট এর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি আপনাকে পোস্ট এর মান / কোয়ালিটি বাড়াতে হবে। কারণ আপনি যদি রেগুলার পোস্ট করেন কিন্তু পোস্ট এর কোয়ালিটি খারাপ, পোস্ট টি দেখে কিছু বুঝা যায় না বা তেমন ভালো কিছু না পোস্ট করতে পারেন এতে যারা পোস্ট টি পাবে তাদের ইন্টারেস্ট কম থাকবে আপনার পোস্ট এ এবং ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম আপনার পোস্ট গুলোর রিচ কমিয়ে দিবে যা ফলোয়ারদের সামনে কম পাঠাবে। 

ইন্সট্রাগ্রাম শিডিউলিং টুলস এর সাহায্যে পোস্ট করতে পারেন। এই টুলস ব্যাবহার এর ফলে আপনি এক সাথে সব পোস্ট করে দিলেও টুলস টি বিভিন্ন সময়ে একটা একটা করে পোস্ট পাবলিশ করবে। এর ফলে আপনাকে টাইম মেইনটেইন করতে হবে না। শুধু একদিনে যা যা পোস্ট করার কথা সেগুলো এক সাথে পোস্ট করে শিডিউল করে দিলেই সেগুলো শিডিউল করা টাইমে অটোমেটিক পোস্ট হয়ে যাবে।

আরো পড়ুনঃ ২০২১ সালের সেরা গেমিং ফোন ;

৪. ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম কিভাবে কাজ করে সেটা জানুন।

অনেক ইন্সট্রাগ্রাম ব্যাবহারকারীর জানা নেই যে কিভাবে ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম কাজ করে এবং আপনার পোস্ট টিকে মানুষের কাছে নিয়ে যায় এবং ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ায়। তাই আগে সেটি জেনে নিন তারপর এলগরিদম এর সুবিধা অনুযায়ী পোস্ট করুন তাহলে ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার রকেটের গতিতে বাড়াতে পারবেন।

ছয়টি বিষয়ের উপর বিবেচনা করে ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম ইউজারের ফিড ক্রিয়েট করে এবং পোস্ট গুলো সামনে নিয়ে আসে। যেগুলো হলোঃ Timeliness, Frequency, Following, Relationship, Interest, Usage.

এখন চলুন এইগুলা নিয়ে বিস্তারিত জানি।

ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম এর ফ্যাক্টর গুলো নিয়ে বিস্তারিতঃ

  • Interest: ইন্সট্রাগ্রাম ইউজারের আগের কার্যকলাপ এর উপর এর ভিত্তি করে পোস্ট শো করে। যেমনঃ ইউজার টি কোন বিষয় নিয়ে বেশী ইন্টারেস্ট দেখায়।
  • Relationship: ইউজার টি ব্যাক্তিগত ভাবে কাদের সাথে জড়িত। যে ধরনের মানুষের সাথে ইউজার টি বেশী কানেক্টেড সেই ধরনের পোস্ট ইউজার টি বেশী দেখতে পাবে।
  • Frequency: কত সময় ধরে ইউজার টি ইন্সট্রাগ্রাম অ্যাপ টি ব্যাবহার করে এবং কোন কোন সময় ব্যাবহার করে। 
  • Timeliness: পোস্টটি কখন করা হয়েছে।
  • Usage: ইউজার টি কত সময় ব্যয় করে ইন্সট্রাগ্রামে।
  • Following: ইউজার টি কোন কোন প্রোফাইল কে ফলো করে।

ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম সব সময় চেষ্টা করে ইউজার এর পছন্দ মতো পোস্ট গুলো দিয়ে ফিড ক্রিয়েট করতে যেখানে ইউজারের পছন্দের জিনিস গুলো থাকবে যার ফলে ইউজার বেশী সময় ধরে ইন্সট্রাগ্রাম ব্যাবহার করে। আর এই ছয়টি ফ্যাক্টরের সাথে যদি আপনার পোস্ট টি মিলে বা মিল থাকে তাহলে ইউজার এর কাছে আপনার পোস্ট টি পাঠাবে। এবং সে যদি পোস্ট এ ইন্টারেস্ট দেখায় বা পোস্ট টি সময় নিয়ে পড়ে, লাইক করে তাহলে আপনার পরবর্তী পোস্ট গুলোও সেই ইউজার এর কাছে পাঠাবে।


৫. বিভিন্ন ধরনের পোস্ট নিয়ে পরীক্ষা করুন।

ইন্সট্রাগ্রামে ছবি আপলোড করা ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কন্টেন্ট আপলোড এর সুবিধা তৈরি করে দিয়েছে। ইন্সট্রাগ্রাম প্রতি বছর ই নতুন আপডেটের সাথে সাথে নতুন কন্টেন্ট বা পোস্ট শেয়ার করার উপায় নিয়ে হাজির হয়। আর সব গুলো উপায় ব্যাবহার করা ভালো এতে আপনার ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়াতে অনেক বেশী হেল্প করবে। কারণ বিভিন্ন উপায়ে কন্টেন্ট আপলোড করার ফলে বেশী মানুষের কাছে আপনার পোস্ট পৌঁছে দিতে পারবেন। 

মনে রাখবেন যে ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম কেবল ইউজার এর পছন্দ এবং যেগুলো তে ইন্টারেস্ট বেশী সেই পোস্ট গুলোই ফিডে পাঠাইয়। তাই কোন ইউজার যদি আপনার পোস্ট এ লাইক কমেন্ট করে তার মানে সে আপনার পোস্ট এ আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তার কাছে এটি ভালো লেগেছে তাই ইন্সট্রাগ্রাম এলগরিদম পরবর্তী সময়ে আপনার পোস্ট টি অই ইউজারের কাছে আবার পাঠাবে।

ইন্সট্রাগ্রাম সব সময় ইউজারের কাছে নতুন ফিচার গুলো তোলে ধরতে চায়। তাই আপনি যদি সব কন্টেন্ট টাইপ ইউজ করে বিভিন্ন পোস্ট করেন এতে বেশী মানুষের কাছে পোস্ট টি পৌছানোর সম্ভাবনা বেশী। তবে সেইম ক্যাটাগরিতে পোস্ট করবেন। বিভিন্ন টাইপে। যেমনঃ স্টোরি, ফটো, IGTV ইত্যদি।

আরো পড়ুনঃ ছেলেদের স্কিন কেয়ার রুটিন 

৬. মানসম্মত ক্যাপশন লিখুন।

ভালো এবং ইউনিক একটি ফটো যেমন ইউজারের মনোযোগ আকর্ষণ করে তেমনই ভাবে একটি ক্যাপশনের মাধ্যমেও ইউজারকে আকৃষ্ট করা যায়। পাশাপাশি ক্যাপশনে ভালো ভালো কিওয়ার্ড ব্যাবহার করলে সার্চ এ র‍্যাংক করা পসিবল ক্যাপশনের মাধ্যমে।

ক্যাপশনে সম সময় বড় কিছু লিখার দরকার নেই। বিভিন্ন ক্যাপশন নিয়ে পরীক্ষা করুন। কোনটায় কেমন ফল পান সেটা দেখুন। সব কিছু নিয়েই পরীক্ষা করা উচিত। ছোট ক্যাপশন, সাথে কয়েকটা ইমুজি বা স্টিকার, হ্যাশট্যাগ ইত্যদি নিয়ে ট্রাই করুন।

প্রতি নিয়ত ক্যাপশন গুলোতে সংখ্যা প্রতি নিয়ত বাড়ছে। কিন্তু এখনও অনেক বিজনেস পোস্ট এর ক্যাপশনে ৪০০ অক্ষরও ব্যাবহার করা হয় না যেখানে ইন্সট্রাগ্রাম ক্যাপশনে ২২০০ অক্ষর পর্যন্ত লিখার সুযোগ থাকে। তবে গড় সংখ্যা অনুযায়ী প্রতি পোস্ট এ ৪০৫টি অক্ষরের ক্যাপশন ব্যাবহার করা হয়।

তাই কখন আপনাকে ক্যাপশন লম্বা লিখতে হবে এবং কখন ছোট লিখতে হবে সেটা আপনাকেই বুঝে নিতে হবে। আপনার পোস্ট এর ধরন অনুযায়ী মান সম্মত ক্যাপশন বেচে নিতে হবে। আর সেক্ষেত্রে সেটা যতই ওয়ার্ড এর হোক না কেন সমস্যা নেই।


৭. ভালো ভালো হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করুন।

অনেক ব্লগে, সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করা হয়। কিন্তু ইন্সট্রাগ্রাম এর মতো হ্যাশট্যাগ এর গুরুত্ব অন্য কোথাও নেই। ইন্সট্রাগ্রাম হ্যাশট্যাগ কে এক অন্য মাত্রায় গুরুত্ব দেয় যার ফলে ভালো এবং সঠিক কিওয়ার্ড টি আপনার পোস্ট কে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে সক্ষম। অন্যান্য নেটওয়ার্ক এর চেয়ে ইন্সট্রাগ্রামে হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করা হয় বেশী পোস্ট র‍্যাংক করাতে বা ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার৷ বাড়ানোর ক্ষেত্রে। কারণ হ্যাশট্যাগ এর ফলে সঠিক ব্যাবহারকারীর কাছে আপনার পোস্ট টি পৌছাবে এবং ভালো রেসপন্স পাবেন।

আপনাদের টার্গেট করা ইউজারদের জন্য বেস্ট হ্যাশট্যাগ আপনাকে খুজে বের করতে হবে। তার জন্য বিভিন্ন টুলস ইউজ করতে পারেন। AutoHash টুলস টি ব্যাবহার করে আপনি আপনার ট্রার্গেটেড ইউজারদের কাছে আকর্ষণীয় হবে এমন হ্যাশট্যাগ খুজে বের করতে পারবেন। আপনি কেবল আপনার পোস্ট এর জন্য কিছু লিখলেই সেটা অটোমেটিক আপনাকে হ্যাশট্যাগ রেকমেন্ড করে দিবে। যা সত্যিই অনেক আকর্ষণীয়। 

আপনি যদি আপনার ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়াতে চান তাহলে অবশ্যই হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করতে হবে। হ্যাশট্যাগ আপনার পোস্ট টিকে সার্চ ফিল্টার সহ বিভিন্ন ভাবে মানুষের কাছে পৌছাতে সাহায্য করবে। আর তাছাড়া অনেক মানুষ হ্যাশট্যাগ কে ফলো করে রাখে আর সেই হ্যাশট্যাগ টি আপনি ব্যাবহার করলে অই ইউজার টি আপনার পোস্ট পাবে। 

ইন্সট্রাগ্রাম কেবল ৩০টা হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করতে দেয়।

আরো পড়ুনঃ মোবাইলের স্পীড বাড়ানোর উপায় 

৮. আপনার ফলোয়ারদের সাথে কানেক্টেড থাকুন।

ইন্সট্রাগ্রামে ফলোয়ারদের সাথে কানেক্টেড থাকা।অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ব্র‍্যান্ড তাদের পোস্ট এ ভুল করে থাকে যে তারা তাদের ফলোয়ারদের সাথে কানেক্টেড না থেকে শুধু লাইক কমেন্টের জন্য পোস্ট করে এবং এর ফলে রিচ এবং ফলোয়ার দুইটাই আস্তে আস্তে কমে যেতে থাকে।

কমেন্টের রিপ্লে বা মেসেজের রিপ্লে ইত্যদির মাধ্যমে ফলোয়ারদের সাথে কানেক্টেড থাকার ফলে ফলোয়ারদের সাথে ভালো সম্পর্ক এবং আরো নতুন নতুন ফলোয়ার পাওয়ার চান্স বেরে যায়।


৯. অন্যদের থেকে সাহায্য নিন।

বিভিন্ন পার্টনারশিপ বা ইনফ্লুয়েন্সার ক্যাম্পেইন থেকে হেল্প নিতে পারেন। এতে ফলোয়ার বাড়ার চান্স প্রচুর থাকে।

আপনার কাছে যদি পর্যাপ্ত বাজেট থেকে থাকে তাহলে আপনি ইনফ্লুয়েন্সার দ্বারা মার্কেটিং করাতে পারেন। সেক্ষেত্রে ছোট ছোট ইনফ্লুয়েন্সার যাদের ১ হাজার – ১০ হাজার পর্যন্ত ফলোয়ার আছে তাদের দ্বারা মার্কেটিং এর ফল অনেক ভালো আসে বড় বড় ইনফ্লুয়েন্সার দিয়ে করানোর চেয়ে। আবার এতে খরচ টাও কম পরবে। তাদের সাথে কথা বলে একটা বাজেট ঠিক করে নেওয়ার পর আপনি তাদের দ্বারা আপনার ব্র‍্যান্ড বা পণ্যের মার্কেটিং করাতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় 

১০. ইন্সট্রাগ্রাম আইডির লিংক শেয়ার করুন।

মানুষকে আপনার ইন্সট্রাগ্রাম প্রোফাইল খুজে পেতে তাদের সাথে লিংক শেয়ার করতে পারেন। বিভিন্ন জায়গায় লিংক এড করা যেমনঃ

  • ইমেইল ফুটার
  • ওয়েবসাইট এর ফুটার বা মেনুবার
  • অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার বায়োতে
  • সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট

আপনি যদি ইন্সট্রাগ্রামে অর্গানিক ফলোয়ার চান তাহলে অবশ্যই তাদের জন্য ভালো এবং মান সম্মত পোস্ট দিতে হবে। যেন আপনি আপনার পোস্ট এর মাধ্যমে তাদের আকর্ষণ পেতে পারেন এবং আপনাকে বা আপনার ব্র‍্যান্ড এর প্রোফাইল কে ফলো করে। আপনি যতটা ধৈর্য নিয়ে মান সম্মত পোস্ট করতে পারবেন তত বেশী ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার আপনি আশা করতে পারেন। ধন্যবাদ। 

Leave a Comment